সর্বশেষ সংবাদ
Home » বাংলাদেশ » রাজনীতি » স্বাধীনতার ৪৬ পর বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সিনহা সাহেব যখন পাকিস্থানের উদাহরন দেন।

স্বাধীনতার ৪৬ পর বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সিনহা সাহেব যখন পাকিস্থানের উদাহরন দেন।

স্বাধীনতার ৪৬ পর বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সিনহা সাহেব যখন পাকিস্থানের উদাহরন দেন। তখন মুক্তিযোদ্ধের চেতনার প্রজন্মের ছাএনেতা হয়ে মানতে পারছি না। মনে হয়ে যায় ৭১ মুক্তিযোদ্ধের সময়ের ২৫ মার্চ কালরাত্রি হত্যার ইতিহাসের কথা। হাজার হাজার ঘুমন্ত বাংঙ্গালী কে গনহত্যার ইতিহাস। মুক্তিযোদ্ধের সময় ত্রিশ লাক্ষ শহীদ ও আড়াই লাক্ষ মা বোনের ইজ্জত নষ্টের সেই ভয়াল সৃতি। পাপি ও অকার্যকর এবং অসভ্য দেশ পাকিস্তান বাংলাদের উদাহরন হতে পারে না যেদেশে ৭০ বছরের ইতিহাসে কোন প্রধানমন্ত্রী মেয়াদ পূর্ন করতে পারি নি। এটা ধিক্কার জনক উদাহরন। প্রধান বিচারপতি প্রায়ই ভালো কথা বলেন যা জনগনের মনের কথার সাথে মিলে যায়। কিন্তু তাই বলে পাকিস্থানের উদাহরন…

Review Overview

User Rating: 4.55 ( 1 votes)
স্বাধীনতার ৪৬ পর বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সিনহা সাহেব যখন পাকিস্থানের উদাহরন দেন। তখন মুক্তিযোদ্ধের চেতনার প্রজন্মের ছাএনেতা হয়ে মানতে পারছি না। মনে হয়ে যায় ৭১ মুক্তিযোদ্ধের সময়ের ২৫ মার্চ কালরাত্রি হত্যার ইতিহাসের কথা। হাজার হাজার ঘুমন্ত বাংঙ্গালী কে গনহত্যার ইতিহাস। মুক্তিযোদ্ধের সময় ত্রিশ লাক্ষ শহীদ ও আড়াই লাক্ষ মা বোনের ইজ্জত নষ্টের সেই ভয়াল সৃতি। পাপি ও অকার্যকর এবং অসভ্য দেশ পাকিস্তান বাংলাদের উদাহরন হতে পারে না যেদেশে ৭০ বছরের ইতিহাসে কোন প্রধানমন্ত্রী মেয়াদ পূর্ন করতে পারি নি। এটা ধিক্কার জনক উদাহরন।
 প্রধান বিচারপতি প্রায়ই ভালো কথা বলেন যা জনগনের মনের কথার সাথে মিলে যায়। কিন্তু তাই বলে পাকিস্থানের উদাহরন যথাপযুক্ত হয়নি।
এছাড়া তিনি অবজারবেশনে বঙ্গবন্ধুর একক নেতৃত্বের স্বাধীনতা অর্জন একক নেতৃত্বে হয় নি বলেছেন । ইতিহাসে বলে তখন সব রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সব কথা, স্লোগান, বক্তিতা, মিছিল স্বাধীনতার প্রশ্নে সবাই বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব মেনে আন্দোলন ও যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। এখন প্রশ্ন তৌরী করে এই প্রজন্মের সামনে সন্দেহ সৃষ্টি করা নিন্দনীয়।
 তিনি বলতে পারতেন তখন যারা বঙ্গবন্ধুর আশেপাশে ভূমিকা রেখেছিল তাদের কে যথাযথ ভাবে স্বরন করা হচ্ছে না। তাদের যথাযথ মুল্যায়ন নেই। তাদের অবধান কে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসরুপে তুলে ধরা হচ্ছে না।তাদের ইতিহাস সবার কাছে পৌছে দেওয়া উচিত। এতে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কে বড় করা হত।
 আমরা এই প্রজন্ম চাই না মিমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন করুক।আমরা চাই দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়ন, প্রগতির জন্য অতীতে বর্তমানে ভূমিকা, ত্যাগ, বিসর্জন দিচ্ছে তাদের যথাযথ স্বারন করা হোক.

 

Follow Me

Leave a Reply